যে কারণে হত্যা করা হয় পীরগঞ্জের আম ব্যবসায়ী আশরাফকে…

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২০

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে আম ব্যাবসায়ী হত্যাকান্ডের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা পুলিশ। বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যলয়ের সভাকক্ষে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ কামাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মূলত সুদের টাকাকে কেন্দ্র করে খুন হন ব্যাবসায়ী আশরাফ আলী। প্রযুক্তির ব্যাবহারের মাধ্যমে গত ৩ দিনে এ ঘটনার সাথে জড়িত ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। হত্যাকান্ডে লাশ বহনকারী গাড়ি জব্দ করা হয়। গাড়িটি পীরগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের যাতায়াতের কাজে ব্যাবহৃত। হত্যাকারী সাদ্দাম পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের অফিসে অফিস সহকারী। হত্যার পর সাদ্দাম ভাইস চেয়ারম্যানের ব্যবহৃত জীপ গাড়িতে লাশ তুলে ফকিরগঞ্জ-গোগর এলাকার পাঁকা সড়কের খট্শিংগা নামক স্থানে লাশটি ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা হল পীরগঞ্জ উপজেলার ভাবদা গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩২), একই উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের দরমিয়ান আলীর ছেলে বেলাল হোসেন (২৩), ওই উপজেলার জগথা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে রোকনুজ্জামান (২৩)।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ কামাল হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবু তাহের মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, সহকারী পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (ডিআইও-১) নাজমুল আলম, পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদিপ কুমার রায়, সদর থানার ওসি তানভীরুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী সহ জেলার অন্যান্য সংবাদ কর্মীরা।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই রোববার পীরগঞ্জ উপজেলা ভবনের নীচ তলার একটি কক্ষে হত্যার শিকার হন আশরাফ আলী এবং ফকিরগঞ্জ-গোগর এলাকার পাঁকা সড়কের খট্শিংগা নামক স্থানে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওইদিনই নিহতের বড় ভাই জহরুল হক বাদি হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।