,
সংবাদ শিরোনাম :

৯/১১’র সন্ত্রাসী হামলায় বাঁচলেও বাঁচতে পারেননি কেনিয়ায়

কেনিয়ার নাইরোবিতে বিলাসবহুল ‘ডিউসিটডি২’ হোটেলে মঙ্গলবার হামলা চালায় জঙ্গিগোষ্ঠী আলশাবাব। এতে নিহত ২১ ব্যক্তির একজন জেসন স্পিনডলার (৪১)।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব কাঁপানো টুইন টাওয়ারের সন্ত্রাসী হামলায় যিনি বেঁচে গিয়েছিলেন।

যদিও কেনিয়া কর্তৃপক্ষ নিহতের তালিকায় তার নাম রাখেনি। তবে তার মা এবং ভাই জেসনের হামলায় জেসনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।

জেসনের ভাই জনাথন ফেসবুকসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাতে হচ্ছে আমার ভাই জেসন স্পিনডলার নাইরোবিতে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, জেসন ৯-১১’র সন্ত্রাসী হামলায় বেঁচে গিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন একজন যোদ্ধা। আমি নিশ্চিত তিনি তাদের জাহান্নামে পাঠাবেন।

স্পিনডলার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্ক ল স্কুল থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে বিনিয়োগ ব্যাংক সালমন স্মিথ বারনে’র একজন কর্মী ছিলেন।

সেদিন দুটি জেট বিমান নিয়ে টুইন টাওয়ারে আঘাত হানে আল কায়েদা। তিনি তখন ছিলেন সপ্তম তলায়। যা ওই আঘাতের পর ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় অন্তত তিন হাজার ব্যক্তি নিহত হয়।

সেদিন ধ্বংসস্তূপ থেকে বেরিয়ে এসে স্পিনডলার আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার করেছিলেন বলে জানান তার সহকর্মী কেভিন ইউ।

ওয়াশিংটন পোস্টকে তিনি জানান, ওই হামলার পর থেকে সে পাল্টে গিয়েছিল। সে আমাকে এও বলেছিল, যখন কোনো কিছু স্নায়ুকে আঘাত করে তা অনুভূতি ও চিন্তাকে প্রভাবিত করে।

স্পিনডলার মূলত নাইরোবিতে কাজ করত। তবে সানফ্রানসিসকো, লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপেও তার যাতায়াত ছিল বলে জানায় এএফপি।

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় এখনো ৫০ জনের খোঁজ মেলেনি বলে জানিয়েছে রেডক্রস। বৃহস্পতিবার নিখোঁজের হিসাব দিয়ে উদ্ধারে নিয়োজিত রেডক্রস জানিয়েছে, প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়বে।

print

(Visited 7 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ