,
সংবাদ শিরোনাম :

রাণীশংকৈল ও হরিপুরে শিলা বৃষ্টিতে বিরান ভূমিতে বোরো ক্ষেত

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রচন্ড ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলার কয়েক হাজার বিঘা বোরো ধানক্ষেত বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে প্রান্তিক চাষিরা । সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হঠাৎ ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়। সরেজমিনে দেখা যায়,ঘরবাড়ি, ধান, ভুট্টা সহ কয়েক হাজার একর জমির ক্ষয়ক্ষতিতে কৃষক দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কয়েক শত ঘরবাড়ি ভেঙ্গে খোলা আকাশের নিচে রাত্রি যাপন করছে অনেকেই। খোজ নিয়ে জানাে আরো যায়, উপজেলার ভন্ড গ্রাম, রাউৎনগর, পদমপুর,কলিগাঁও, উত্তরগাঁও, হাড়িয়া, মীরডাঙ্গী, নেকমরদ,ধর্মগড় সহ বিভিন্ন এলাকায় কাল বৈশাখি ঝড় ও শিলা বৃষ্ঠিতে ঘর বাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাস্তায় গাছপালা ভেঙ্গে যাতায়াত বন্ধ সহ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছে উপজেলা জুড়ে। এ ব্যাপারে ভন্ডগ্রামের ফারুক আহম্মদ,উত্তরগাঁওয়ের ইউসুফ, আইয়ুব আলী, নুরুল বলেন, ভাই ধান কর্তনের সময় এ ধরনের ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা মাথায় হাত দিয়েছে, অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলাম বলেন, এবার এ উপজেলায় ৮৪৯৫ হেক্টর জমিতে ইরি ধান, খরিপ ভূট্টা ১৭৫০-রবি ভূট্টা ২৯১০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। তবে ক্ষতির বিষয়ে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা প্রাথমিক ভাবে তালিকা তৈরি করছেন। এসময় ক্ষতি গ্রস্থ এলাকায় সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা জাহান লিটা, উপজেলা চেয়ারম্যান আইনুল হক, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসান, পৌর মেয়র আলমগীর সরকার,ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা বেগম সহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা পরির্দশন করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা খন্দকার মোঃ নাহিদ হাসান বলেন, ক্ষতি গ্রস্থ এলাকায় জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল স্যার আসবেন এর পর ক্ষয়ক্ষতির একটি তালিকা মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হবে। এছাড়াও মঙ্গলবার খাদ্য মন্ত্রী ঠাকুরগাঁয়ে আসবেন বিষয়টি তিনাকেও অবগত করা হবে।অপরদিকে হরিপুর উপজেলার হরিপুর, আমগাঁও এবং গেদুরা ইউনিয়নে বিকালে ও সন্ধ্যায় দুই দফা শিলা বৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

print

(Visited 1,536 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ