,
সংবাদ শিরোনাম :
» « পীরগঞ্জে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের ভাবীর ইন্তেকাল» « পীরগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত» « পীরগঞ্জে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী» « বালিয়াডাঙ্গীর পাড়িয়া ইউনিয়নে জিল্লুর চেয়ারম্যান নির্বাচিত» « পীরগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান কাজে নিয়োজিত কর্মীকে গন পিটুনি» « পীরগঞ্জে টিএন্ডটি রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু» « পীরগঞ্জে পঞ্চগড় এক্্রপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বিরতি চায় এলাকাবাসী» « জাতীয় নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে বাফুফের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ» « কাউকে গোনায় ধরেন না সানি লিওন» « গ্রামীণফোন ও রবির ব্যান্ডউইথ কমালো বিটিআরসি

আইটি সেক্টর থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় হবে : পলক

image-1924বিবার্তা থেকে নেওয়া : তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৬ শুরু হচ্ছে আগামী ১৯ অক্টোবর। ‘নন স্টপ বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে সরকারের ৪০টি মন্ত্রণালয় তাদের ডিজিটাল কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে ধারণা দেবে।

তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে ১৮টি সেশন পরিচালনা করবেন ৩৪ জন বিদেশি স্পিকার। ৮-১০ জন মন্ত্রী থাকছেন এই আয়োজনে।

তৃতীয়বারের মতো এ সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করছে আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশ, সহযোগী আয়োজক বিসিসি, বেসিস এবং এটুআই। এরই মধ্যে নেয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (আইসিসিবি)ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্য, প্রত্যাশা, কার্যক্রম ও পরিকল্পনা, সম্মেলনের প্রভাব এবং আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন নিয়ে নানান ভাবনার কথা বিবার্তাকে জানালেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বিবার্তা : ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড সম্মেলন-১৬’ আয়োজনের লক্ষ্য কী?

জুনাইদ আহমেদ পলক : বিগত সাড়ে সাত বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য ও গতিশীল নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক নির্দেশনায় ডিজিটালাইজেশনের কাজ আমরা সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

মূলত চারটা পিলারের ওপর বাংলাদেশকে দাঁড় করাতে চাই। সেগুলো হচ্ছে ই-গভার্নেন্স, হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ও ইন্ড্রাস্টি প্রমোশন। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড এমন একটা প্লাটফর্ম, যেটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের এই চারটি জায়গায় সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। সেটিকে আমরা এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে সবার কাছে তুলে ধরতে ও অর্জনের অভিজ্ঞতাটা শেয়ার করতে চাই।

এজন্য সফটওয়্যার প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছি, আমাদের মোবাইল ইনোভেশন, ই-কমার্স, স্টার্টআপ ও ইনোভেটররা কেমন করছে, তাদের ই-গভার্নেন্স নিয়ে, সফটওয়্যার, মোবাইল গেমিং এগুলো নতুন নতুন কী উদ্ভাবন আছে তা তুলে ধরতে চাই। একদিকে যেমন ই-গভার্নেন্স অগ্রগতি, অন্যদিকে সফটওয়্যার ফার্মগুলোরও যে ইনোভেশন ক্যাপাসিটি রয়েছে, সে সক্ষমতাগুলো দেশে বা বিদেশে তুলে ধরা।

এখানে আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প হবে। আইসিটিকে ক্যারিয়ার হিসেবে যেন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গ্রহণ করে তার একটা সুযোগ তৈরি করে দেয়া। দেশের ১৬ কোটি মানুষ যেভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশকে আপন করে নিয়েছে, তাদের কাছে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি তুলে ধরা এবং সারা বিশ্বের অঙ্গনে ‍তুলে ধরা। মোট কথা, তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং দেশের ১৬ কোটি মানুষের কাছে জানান দেয়া যে, তথ্যপ্রযুক্তিতে আমাদের অপরচুনিটিগুলো ও সক্ষমতা তুলে ধরাই আসলে এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।

বিবার্তা : এই আয়োজনের মূল সুর হিসেবে ‘নন স্টপ বাংলাদেশ’ নিলেন কেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক : প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ খুব দ্রুত এবং অবিরাম এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের আয়োজনের লোগোতে ‘নন স্টপ বাংলাদেশ’ শব্দগুলো ব্যবহার করেছি এ জন্যই যে, প্রধানমন্ত্রী যে গতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, একইভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম যেন এই নন স্টপ বাংলাদেশের স্পিরিট নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

বিবার্তা : ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড আয়োজন নিয়ে কিছু বলুন।

জুনাইদ আহমেদ পলক : তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে ৩৫ জন বিদেশি স্পিকার ১৮টি সেশন পরিচালনা করবেন। ৮-১০ জন মন্ত্রী থাকছেন এই আয়োজনে। উদ্বাধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাথে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। মিনিস্টার লেভেল কনফারেন্সে তিনি কি-নোট স্পিকার হিসেবে ই-গভার্নেন্স, হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট আইটি সেক্টরে কানেক্টিভিটি সব জায়গায় পৌঁছে দেয়ার এবং ইন্ডাস্ট্রির ডেভেলপমেন্ট কী কী হয়েছে সেগুলো তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মন্ত্রী ও স্টেকহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরবেন।

বিবার্তা : এই আয়োজন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কী ধরণের প্রভাব ফেলবে?

জুনাইদ আহমেদ পলক : এই আয়োজন দেশের তথ্যপ্রযুক্তিশিল্পে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আমার বিশ্বাস। বিশেষ করে আইসিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোথায় ছিল, কোথায় আছে এবং কোথায় যেতে চায় সে বিষয়গুলো বিষয়ে জনগণ ধারণা লাভ করবে। আমাদের ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট নিয়ে সচেতনতা বাড়বে। মোবাইল গেমিং, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, আউটসোর্সিং, ই-কমার্স বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে।

বিবার্তা : বিশ্বের অন্যান্য দেশ সফটওয়্যার রপ্তানি করে অনেক টাকা উপার্জন করছে। সে তুলনায় বাংলাদেশ এ খাতে অনেকটা পিছিয়ে আছে। বিষয়টি আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক : প্রধানমন্ত্রী ২০০৮ সালের ডিসেম্বরেই ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশনটা দিয়েছেন। বিগত সাড়ে সাত বছর ধরেই কিন্তু আমাদের আইটি ইন্ডাস্ট্রিটাকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। তখন মাত্র সাত মিলিয়ন ডলার আমরা এক্সপোর্ট করতাম, বিভিন্ন পলিসি সাপোর্ট এবং সরকারি সহযোগিতার ফলে এখন দাঁড়িয়েছে সেটা সাত শ’ মিলিয়ন ডলার।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা টার্গেট দিয়েছেন যে, আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা এক বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করবো। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী আমাদের টার্গেট দিয়েছেন যে আগামী ২০২১ সাল নাগাদ পাঁচ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করবো। এই দুটি টার্গেট সামনে নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই আমরা অনেকটা এগিয়েছি এবং আমরা আশা করছি যে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে আমরা অবশ্যই আইটি সেক্টর থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবো।

বিবার্তা : বিশ্বের অন্যান্য দেশে ইন্টারনেটের দিকে তাকালে দেখা যায় ইন্টারনেট গতি ৫.১ এমবিপিএস। আর বাংলাদেশে ১.১ এমবিপিএস। এটা কেন?

জুনাইদ আহমেদ পলক : ১৯৯২ সালে যখন বিনামূল্যে সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ এসেছিল, তখন তৎকালীন সরকারপ্রধানের অযোগ্যতা ও অদূরদর্শিতার কারণে কিন্তু আমরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট সংযুক্ত হতে পারেনি। বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার অজ্ঞতা ও অদূরদর্শিতার কারণে সে সময় বাংলাদেশ একটা সুবর্ণ সযোগ হারিয়েছে।

যার কারণে বলতে গেলে আমরা ২০ বছর পিছিয়ে গেছি। সেই তুলনায় সাড়ে সাত বছরের মধ্যে ইন্টারনেটের মূল্য কমিয়ে আনা, গতি বৃদ্ধি করা, ইন্টারনেটকে সারা বাংলাদেশকে ছড়িয়ে দেয়া, ইন্টারনেটে গভার্নমেন্টের সার্ভিসগুলোকে অ্যাভেইলেবল করা, ইন্টারনেটভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এগুলো সবই এখন হাতের নাগালে এসেছে।

সাড়ে সাত বছর আগে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল দশ লাখেরও কম। আজকে এই সব ব্যবস্থা ও উদ্যোগ নেয়ার ফলে দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছয় কোটি চল্লিশ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আমরা আশা করছি ব্রন্ডব্যান্ড পলিসিতে কিছু পরিবর্তন আনার। তবে ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি পাঁচ এমবিপিএসকে মিনিমাম ইন্টারনেট গতি হিসেবে ঘোষণা দেয়ার কথা বলেছেন। ফলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেভাবে এগিয়েছে আমরাও আমাদের সরকারের যুগোপযোগী ও গতিশীল নেতৃত্বে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই সে অবস্থানে পৌঁছতে সক্ষম হবো।

আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী যে ২০২১ সাল নাগাদ আমরা তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবো।

বিবার্তা : আপনি বলেছেন দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছয় কোটি চল্লিশ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। দেখা গেছে, এর বড় একটা সংখ্যা ব্যবহারকারী শুধু মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহার করছে। এটা কি আসলে ইন্টারনেট সঠিক ব্যবহার হচ্ছে?

জুনাইদ আহমেদ পলক : সারা বিশ্বে কিন্তু একই ট্রেন্ড আমরা লক্ষ্য করি। ফেসবুককে আসলে এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে ধরা হয়। ইন্টারনেটে প্রবেশের একটা এন্ট্রি পয়েন্ট হলো ফেসবুক। এটাও অবশ্য ঠিক যে, ফেসবুক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রবেশ করে। ফেসবুক থেকে নিউজে যায়, বিভিন্ন নলেজ কালেকশনের জন্য বিভিন্ন সাইটে যায়। ফেসবুক একটা প্লাটফর্ম মাত্র। ইন্টারনেটও একটা প্লাটফর্ম। যেমন একজন ব্যক্তি প্রথমে একটা মহাসড়কে গেল, তারপর ওখান থকে বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে শাখা রাস্তায় চলে যায়। তেমনি ইন্টারনেটও একটা মহাসড়কের মতো।

এখানে বিভিন্ন ধরণের যানবাহন যেমন, ফেসবুক, গুগল, গুগলক্রোম, মজিলা আছে। এসব মাধ্যমে তারা ধীরে ধীরে বিভিন্ন শাখা-প্রশাখায় চলে যায়। ফেসবুক ব্যবহার করে কেউ যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করে, সেটাও দোষের কিছু না। কারণ এভাবেও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়বে। বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটির উপরে ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে। এরা ফেসবুকে কখনও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে চ্যাটিং করছে, কথা বলছে, এখন ম্যাসেঞ্জারে কথা বলার সাথে ভিডিও চ্যাটিং হচ্ছে, ভিডিও কনফারেন্স হচ্ছে।

এভাবে তারা কিন্তু নিউজ পড়ছে, বিভিন্ন ইস্যুতে ডিবেটে অংশ নিচ্ছে। এভাবেই ধীরে ধীরে দেশে আইটি লিটারেসি বাড়ছে। ইন্টারনেট লিটারেসির কথা যদি বলি, সেটাও কিন্তু ধীরে ধীরে বাড়ছে। আমার মতে, বাংলাদেশ ফেসবুক ব্যবহারে অন্যতম দ্রুতগামী একটা দেশ। ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। দেশের ইন্টারনেট লিটারেসির পরিমাণ এখন ৪০%। এটাকে আমরা দ্রুতই ১০০ ভাগ করতে পারবো। আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি ২০২১ সাল নাগাদ আমরা বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর একটা মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।

বিবার্তা : এবার একটু অন্য প্রসঙ্গ। অওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনকে ঘিরে আপনার প্রত্যাশা কী?

জুনাইদ আহমেদ পলক : আমাদের আওয়ামী লীগ সব সময়ই দেশের মানুষকে নতুন কিছু উপহার দিয়েছে। বাংলাদেশের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে অবশ্যই দেশ ও জাতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নতুন একটা দিকনির্দেশনা থাকবে। আমরা সেটার দিকে চেয়ে আছি এবং আশা করছি এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেয়ার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা থাকবে।

বিবার্তা : এই সম্মেলন দেশের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে?

জুনাইদ আহমেদ পলক : বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে শুরু করে আজকের উন্নয়ন সব জায়গায়ই আওয়ামী লীগের গতিশীল নেতৃত্ব রয়েছে। এই জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়েও দেশের তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশকে জানবে, মুক্তিযুদ্ধকে জানবে, আওয়ামী লীগকে জানবে এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে একটা উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার দিকনির্দেশনা পাবে।

print

(Visited 129 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ